Anti-virus software is a (an) -
-
ক
system software
-
খ
application software
-
গ
utility software
-
ঘ
communication software
Antivirus is a kind of software used to prevent, scan, detect and delete viruses from a computer.
Once installed, most antivirus software runs automatically in the background to provide real - time protection against virus attacks.
Comprehensive virus protection programs help protect your files and hardware from malware such as worms, Trojan horses and spyware, and may also offer additional protection such as customizable firewalls and website blocking
অ্যান্টিভাইরাস (Antivirus) হলো একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার, এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যারের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। এটি সিস্টেমের ডেটা এবং ফাইল স্ক্যান করে ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম শনাক্ত করে এবং এগুলিকে অপসারণ বা কোয়ারেন্টাইন করার ব্যবস্থা করে। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার সিস্টেমের সুরক্ষায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, বিশেষ করে ইন্টারনেট ব্যবহার এবং ফাইল ডাউনলোডের সময়।
অ্যান্টিভাইরাসের কাজ:
১. ভাইরাস সনাক্তকরণ (Virus Detection):
- অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার সনাক্ত করতে সিস্টেমের ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন, এবং ডেটা স্ক্যান করে। এটি ভাইরাস ডেটাবেস ব্যবহার করে ফাইলগুলির আচরণ এবং সিগনেচার শনাক্ত করে।
২. স্ক্যানিং এবং স্ক্রিনিং:
- অ্যান্টিভাইরাস সিস্টেমে বিভিন্ন স্ক্যানিং পদ্ধতি ব্যবহার করে, যেমন সম্পূর্ণ সিস্টেম স্ক্যান, কাস্টম স্ক্যান, এবং রিয়েল-টাইম স্ক্যানিং। রিয়েল-টাইম স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে ফাইলগুলি খোলার সাথে সাথেই স্ক্যান করা হয়।
৩. ভাইরাস অপসারণ (Virus Removal):
- অ্যান্টিভাইরাস শনাক্তকৃত ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার ফাইলগুলোকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠায় বা সম্পূর্ণরূপে সিস্টেম থেকে মুছে ফেলে। এতে সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা বজায় থাকে।
৪. ফায়ারওয়াল প্রোটেকশন (Firewall Protection):
- অনেক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ফায়ারওয়াল সেবা প্রদান করে, যা ইনকামিং এবং আউটগোয়িং নেটওয়ার্ক ট্রাফিক পর্যবেক্ষণ করে এবং অবাঞ্ছিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করে।
৫. ওয়েব প্রোটেকশন এবং ব্রাউজার সিকিউরিটি:
- অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ওয়েবসাইট এবং ইমেইল স্ক্যান করে পিসিং লিঙ্ক এবং ক্ষতিকারক কোড প্রতিরোধ করে। এটি ব্যবহারকারীদের সুরক্ষিত ব্রাউজিং এবং ইমেইল ব্যবহারের সুবিধা প্রদান করে।
জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
১. এভাস্ট (Avast):
- এটি একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা ফ্রি এবং পেইড ভার্সনে পাওয়া যায়। এটি রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন, ফায়ারওয়াল, এবং ওয়েব প্রোটেকশন সরবরাহ করে।
২. এভিজি (AVG):
- এভিজি একটি ফ্রি এবং কার্যকর অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা ভাইরাস, স্পাইওয়্যার, এবং ম্যালওয়্যার শনাক্ত করে এবং অপসারণ করে।
৩. ক্যাসপারস্কি (Kaspersky):
- ক্যাসপারস্কি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা অ্যাডভান্সড প্রোটেকশন ফিচার এবং নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সেবা প্রদান করে।
৪. নর্টন (Norton):
- নর্টন একটি বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা কম্প্রিহেনসিভ সিকিউরিটি সলিউশন এবং ক্লাউড বেসড প্রোটেকশন সরবরাহ করে।
৫. ম্যাকাফি (McAfee):
- ম্যাকাফি একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি, ফায়ারওয়াল, এবং রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন ফিচার প্রদান করে।
অ্যান্টিভাইরাসের সুবিধা:
১. সিস্টেম সুরক্ষা:
- অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহারকারীদের ডিভাইস এবং ডেটাকে সুরক্ষিত রাখে, যা ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, এবং ট্রোজান আক্রমণ থেকে সিস্টেম রক্ষা করে।
২. রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন:
- অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার রিয়েল-টাইমে ফাইল স্ক্যান করে, যা সিস্টেমের নিরাপত্তা বজায় রাখে এবং ক্ষতিকারক ফাইল সনাক্ত করে।
৩. ওয়েব ব্রাউজিং সুরক্ষা:
- অনেক অ্যান্টিভাইরাস ওয়েব ব্রাউজারের জন্য সিকিউরিটি ফিচার প্রদান করে, যা পিসিং লিঙ্ক এবং ক্ষতিকারক ওয়েবসাইট থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করে।
৪. পারফরম্যান্স অপটিমাইজেশন:
- কিছু অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ডিভাইসের পারফরম্যান্স বাড়াতে টেম্পরারি ফাইল ক্লিয়ারিং এবং সিস্টেম অপটিমাইজেশন টুল সরবরাহ করে।
অ্যান্টিভাইরাসের সীমাবদ্ধতা:
১. সিস্টেম পারফরম্যান্সে প্রভাব:
- কিছু অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার সিস্টেমের পারফরম্যান্স ধীর করে দিতে পারে, বিশেষ করে যদি সিস্টেমে রিসোর্স কম থাকে।
২. ভুল সনাক্তকরণ (False Positives):
- কখনও কখনও অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নিরীহ ফাইল বা সফটওয়্যারকে ক্ষতিকারক হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে, যা ব্যবহারকারীদের অসুবিধায় ফেলতে পারে।
৩. ভাইরাস আপডেট প্রয়োজন:
- অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কার্যকর রাখতে নিয়মিত ভাইরাস ডাটাবেস আপডেট করতে হয়। আপডেট না থাকলে এটি নতুন ভাইরাস সনাক্ত করতে ব্যর্থ হতে পারে।
৪. গোপনীয়তা ঝুঁকি:
- কিছু অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, যা গোপনীয়তার ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য বিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিত।
অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারের টিপস:
১. নিয়মিত আপডেট করুন:
- অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার এবং তার ভাইরাস ডেটাবেস নিয়মিত আপডেট করে রাখুন, যাতে এটি নতুন ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার সনাক্ত করতে পারে।
২. সিস্টেমে একাধিক অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করবেন না:
- একাধিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার একসঙ্গে ইনস্টল করা সিস্টেমের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে এবং সিস্টেম ক্র্যাশ করতে পারে।
৩. ফায়ারওয়াল এবং ওয়েব প্রোটেকশন চালু রাখুন:
- ফায়ারওয়াল এবং ওয়েব প্রোটেকশন ফিচার সক্রিয় রাখুন, যাতে ইন্টারনেট ব্রাউজিং সুরক্ষিত থাকে।
৪. সাপ্তাহিক বা মাসিক স্ক্যান শিডিউল করুন:
- নিয়মিত পুরো সিস্টেম স্ক্যান করার জন্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার শিডিউল সেট করুন, যাতে ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার সহজেই সনাক্ত করা যায়।
সারসংক্ষেপ:
অ্যান্টিভাইরাস হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। এটি সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং পারফরম্যান্স বজায় রাখতে সাহায্য করে। যদিও এটি কিছু সীমাবদ্ধতা নিয়ে আসতে পারে, তবে নিয়মিত আপডেট এবং সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে সিস্টেম সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়।
Related Question
View All-
ক
Norton
-
খ
MCAfee
-
গ
Dr. SolomanToolkiy
-
ঘ
Security
-
ক
এন্টিভাইরাস চালিয়ে হার্ডডিস্কে কোনো ভাইরাস আছে কি-না দেখা
-
খ
কম্পিউটারের কেসিন খুলে আবার লাগানো
-
গ
মাদারবোর্ড থেকে সর্তকতার সাথে সিপিইউ খুলে আবার লাগিয়ে দেখা
-
ঘ
ইরেজার দিয়ে র্যামের কানেক্টরগুলো ঘসে পুরস্কার করা
-
ক
Oracle
-
খ
McAfee
-
গ
Norton
-
ঘ
Kaspersky
-
ক
Oracle
-
খ
McAfee
-
গ
Norton
-
ঘ
Kaspersky
-
ক
Avira
-
খ
Kaspersky
-
গ
Oracle
-
ঘ
e-scan
-
ক
worms
-
খ
adware
-
গ
trojon horse
-
ঘ
malware
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!